ই-শ্রম কার্ড ২০২৬: অনলাইনে আবেদন পদ্ধতি, সুবিধা ও যোগ্যতা সম্পূর্ণ গাইড
ই-শ্রম কার্ড (e-Shram Card) হলো কেন্দ্র সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ, যার মাধ্যমে অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের একটি জাতীয় ডাটাবেসে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এই কার্ডের মাধ্যমে শ্রমিকরা বিভিন্ন সরকারি সুবিধা ও আর্থিক সুরক্ষা পেয়ে থাকেন।
ই-শ্রম কার্ড কী?
ই-শ্রম কার্ড হলো শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রক পরিচালিত একটি ইউনিক আইডি কার্ড, যা মূলত দিনমজুর, নির্মাণ শ্রমিক, রিকশাচালক, গৃহকর্মী, কৃষিশ্রমিক, হকার সহ অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের জন্য তৈরি।
ই-শ্রম কার্ডের সুবিধা
- ✅ ₹২ লক্ষ পর্যন্ত দুর্ঘটনা বীমা (PM Suraksha Bima Yojana)
- ✅ সরকারি যোজনা ও ভাতা পাওয়ার সুযোগ
- ✅ ভবিষ্যতে পেনশন ও স্বাস্থ্য প্রকল্পের সুবিধা
- ✅ এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে কাজের সুবিধা
- ✅ শ্রমিকদের জাতীয় ডাটাবেসে নাম নথিভুক্ত
কারা ই-শ্রম কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন?
- বয়স: ১৬ থেকে ৫৯ বছর
- অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিক হতে হবে
- EPFO বা ESIC সদস্য হওয়া চলবে না
ই-শ্রম কার্ডের জন্য কী কী ডকুমেন্ট লাগবে?
- আধার কার্ড
- আধারের সঙ্গে লিঙ্ক করা মোবাইল নম্বর
- ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ডিটেইলস (ঐচ্ছিক)
অনলাইনে ই-শ্রম কার্ড আবেদন করার পদ্ধতি
- e-Shram অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যান
- Self Registration অপশনে ক্লিক করুন
- আধার নম্বর ও OTP দিয়ে লগইন করুন
- ব্যক্তিগত তথ্য ও কাজের ধরন নির্বাচন করুন
- ফর্ম সাবমিট করে ই-শ্রম কার্ড ডাউনলোড করুন
ই-শ্রম কার্ড ডাউনলোড করার নিয়ম
রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হওয়ার পর, একই পোর্টালে লগইন করে PDF ফরম্যাটে ই-শ্রম কার্ড ডাউনলোড করা যায় এবং প্রিন্ট নেওয়া যায়।
ই-শ্রম কার্ড না থাকলে কী সমস্যা?
ই-শ্রম কার্ড না থাকলে ভবিষ্যতে সরকারি শ্রমিক যোজনা, আর্থিক সহায়তা ও বিমা সুবিধা পাওয়া কঠিন হতে পারে। তাই যত দ্রুত সম্ভব আবেদন করা জরুরি।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
ই-শ্রম কার্ড কি ফ্রি?
হ্যাঁ, ই-শ্রম কার্ড সম্পূর্ণ বিনামূল্যে তৈরি করা যায়।
ই-শ্রম কার্ড কতদিন বৈধ?
এই কার্ড আজীবনের জন্য বৈধ, তবে তথ্য পরিবর্তন হলে আপডেট করতে হবে।
উপসংহার
যারা অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিক, তাদের জন্য ই-শ্রম কার্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সরকারি নথি। এটি ভবিষ্যতের আর্থিক সুরক্ষা ও সরকারি সুবিধা পাওয়ার একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করে। তাই আজই অনলাইনে আবেদন করুন।